১৯২০-এর দশকে, যখন খরা আমেরিকার খামারগুলোকে বিধ্বস্ত করে দিয়েছিল, তখন মানুষ মরিয়া হয়ে সমাধানের সন্ধান করছিল। কেউ বিজ্ঞানের সাহায্য নিয়েছিল, অন্যরা 'বৃষ্টি আনার যন্ত্র'-এর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কৃষিক্ষেত্রে ক্ষতির পরিমাণ ছিল...
১৯২০-এর দশকে, যখন খরা আমেরিকার খামারগুলোকে বিধ্বস্ত করে দিয়েছিল, তখন মানুষ মরিয়া হয়ে সমাধানের সন্ধান করছিল। কেউ বিজ্ঞানের সাহায্য নিয়েছিল, অন্যরা 'বৃষ্টি আনার যন্ত্র'-এর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কৃষিক্ষেত্রে ক্ষতির পরিমাণ ছিল লক্ষ লক্ষ ডলার, এবং প্রখর সূর্যের নিচে আশা ম্লান হয়ে যাচ্ছিল।
সবচেয়ে বিখ্যাতদের মধ্যে একজন ছিলেন চার্লস হ্যাটফিল্ড, যার ডাকনাম ছিল "রেইনবোম্যান"। তিনি ক্যালিফোর্নিয়া এবং ওকলাহোমাতে ২৩টি রাসায়নিকের একটি গোপন মিশ্রণ ব্যবহার করে ২০-মিটার উঁচু টাওয়ার তৈরি করেছিলেন, যা তার দাবি অনুযায়ী আর্দ্রতা আকর্ষণ করত।
হ্যাফিল্ড তার পরিষেবার জন্য ৪,০০০ ডলার পর্যন্ত পারিশ্রমিক নিতেন এবং লস অ্যাঞ্জেলেসের মতো জায়গায় বৃষ্টিপাতের নিশ্চয়তা দিতেন। তিনি সবসময় মুষলধারে বৃষ্টি 'ঘটাতে' পারতেন না, কিন্তু তার প্রতিশ্রুতি টেক্সাসের ধুলোময় এলাকাগুলোতে আশা বাঁচিয়ে রেখেছিল।
অধ্যাপক আলফ্রেড হেনরির মতো আবহাওয়াবিদরা হ্যাটফিল্ডের পদ্ধতিকে ভণ্ডামি বলে উপহাস করতেন। কিন্তু যখন মাঠ শুকিয়ে যেত এবং গবাদি পশু মারা যেত, তখন কৃষকেরা বৃষ্টির সামান্যতম আশার জন্য তাদের সর্বস্ব দিয়ে দিত।
হ্যাফিল্ড তার ফর্মুলাটি কখনো প্রকাশ করেননি, কিন্তু তার গল্পটি সেই যুগের চরম হতাশারই প্রতিফলন ঘটায়। এর কয়েক দশক পরে, ১৯৪৬ সালে, ভিনসেন্ট শেফার শুষ্ক বরফ ব্যবহার করে প্রথম সফলভাবে মেঘে বীজ বপনের পদ্ধতি প্রদর্শন করেন।
Select how you want to watch this video